কস্তুরি হলুদ গুড়া Wild Turmeric
250.00৳
কস্তুরি হলুদ গুড়া একটি সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক ভেষজ উপাদান যা ত্বক ফর্সা করা, দাগ দূর করা, ব্রণ কমানো, ও ত্বক মসৃণ করার জন্য আদর্শ। এটি ১০০% কেমিক্যাল মুক্ত এবং সব ধরনের ত্বকে ব্যবহার উপযোগী।
কস্তুরি হলুদ গুড়া
কস্তুরি হলুদ গুড়া, ইংরেজিতে যাকে Wild Turmeric Powder বা Curcuma aromatica বলা হয়, এটি একটি সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক ভেষজ উপাদান যা ত্বকের যত্নে ব্যবহারের জন্য অতুলনীয়। এটি সাধারণ হলুদের তুলনায় সম্পূর্ণ ভিন্ন – এর রয়েছে হালকা, মনোমুগ্ধকর গন্ধ এবং এতে নেই সাধারণ হলুদের মতো দাগ লাগার প্রবণতা। রান্নায় ব্যবহার না করে এটি শুধুমাত্র রূপচর্চার জন্য ব্যবহৃত হয়। কস্তুরি হলুদের একটি মিষ্টি কস্তুরিসম গন্ধ রয়েছে, যা একে আরও আকর্ষণীয় করে তোলে।
ত্বকের যত্নে কস্তুরি হলুদের অসাধারণ গুণাগুণ যুগ যুগ ধরে ভারতীয় আয়ুর্বেদ এবং বাংলাদেশের ঐতিহ্যবাহী রূপচর্চায় ব্যবহৃত হয়ে আসছে। এতে রয়েছে প্রাকৃতিক অ্যান্টিসেপটিক, অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরি, এবং অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট উপাদান, যা ত্বককে জীবাণুমুক্ত রাখতে, ব্রণ প্রতিরোধে, দাগ ও কালো ছোপ দূর করতে এবং ত্বককে উজ্জ্বল ও কোমল রাখতে দারুণভাবে সহায়তা করে।
এই গুড়া মুখে ও শরীরে সরাসরি প্যাক হিসেবে ব্যবহার করা যায় কিংবা অন্যান্য উপাদানের সঙ্গে মিশিয়ে ফেস প্যাক তৈরি করা যায়। এটি প্রাকৃতিক স্কিন কেয়ার রুটিনে যুক্ত করলে ত্বকের সৌন্দর্য বৃদ্ধি পায় এবং রাসায়নিকমুক্ত, নিরাপদ পরিচর্যার নিশ্চয়তা মেলে।
🟢 কস্তুরি হলুদ গুড়া উপকারিতা
১. ত্বক ফর্সা করে
কস্তুরি হলুদ ত্বকের মেলানিন উৎপাদন কমিয়ে ত্বককে স্বাভাবিকভাবে উজ্জ্বল ও ফর্সা করতে সাহায্য করে।
২. ব্রণ ও ফুসকুড়ি দূর করে
এর অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল ও অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরি বৈশিষ্ট্য ব্রণ ও ত্বকের লালচে ভাব কমাতে সহায়তা করে।
৩. কালো দাগ ও স্পট দূর করে
নিয়মিত ব্যবহারে মুখের দাগ, ছোপছোপ দাগ ও অ্যাকনে স্পট হালকা হয়ে যায়।
৪. অয়েলি স্কিন নিয়ন্ত্রণ করে
ত্বকে অতিরিক্ত তেল উৎপাদন নিয়ন্ত্রণে রাখে, যা ত্বককে সতেজ রাখে।
৫. বার্ধক্যের ছাপ প্রতিরোধ করে
এর অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট উপাদান ত্বকের বার্ধক্য বিলম্বিত করে এবং বলিরেখা কমায়।
৬. প্রাকৃতিক এক্সফোলিয়েটর
ত্বকের মৃত কোষ পরিষ্কার করে নরম ও কোমল ত্বক উপহার দেয়।
৭. পিগমেন্টেশন কমায়
ত্বকে অসম রঙ ও দাগের সমস্যায় এটি কার্যকর সমাধান।
৮. ইনফেকশন ও র্যাশ প্রতিরোধ করে
অ্যান্টিসেপটিক গুণের কারণে ত্বকে ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণ থেকে রক্ষা করে।
৯. সানট্যান দূর করে
সূর্যের আলোয় পোড়া ত্বকের ক্ষত দূর করতে সহায়ক।
১০. লোম কমাতে সাহায্য করে
নিয়মিত ব্যবহারে মুখের অবাঞ্চিত লোম ধীরে ধীরে পাতলা হয়ে যায়।
🧴 কিভাবে ব্যবহার করবেন কস্তুরি হলুদ গুড়া?
▶️ ১. মুখের ফেস প্যাক হিসেবে:
-
১ চা চামচ কস্তুরি হলুদ গুড়া
-
১ চা চামচ মধু বা দই
-
সামান্য কাঁচা দুধ
👉 উপরের সব উপাদান মিশিয়ে মুখে ১৫-২০ মিনিট লাগিয়ে রাখুন, তারপর ঠান্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।
▶️ ২. ব্রণের দাগের জন্য:
-
কস্তুরি হলুদ গুড়া + টমেটোর রস মিশিয়ে লাগান।
▶️ ৩. সানট্যানের জন্য:
-
কস্তুরি হলুদ + মুলতানি মাটি + গোলাপজল
❓ ১০টি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন ও উত্তর
১. কস্তুরি হলুদ ও সাধারণ হলুদের মধ্যে পার্থক্য কী?
উত্তর: সাধারণ হলুদ রান্নায় ব্যবহৃত হয়, যা মুখে লাগালে দাগ পড়ে। কিন্তু কস্তুরি হলুদ শুধু বাহ্যিক ব্যবহারযোগ্য, ত্বক ফর্সা করে এবং কোনও দাগ ফেলে না।
২. কি বয়স থেকে ব্যবহার করা যায়?
উত্তর: সাধারণত ১২ বছর বয়সের পর থেকে ব্যবহার নিরাপদ।
৩. এটা কি প্রতিদিন ব্যবহার করা যায়?
উত্তর: সপ্তাহে ২-৩ বার ব্যবহারেই ভালো ফল পাওয়া যায়।
৪. কস্তুরি হলুদ কি সব ধরনের ত্বকের জন্য উপযোগী?
উত্তর: হ্যাঁ, এটি ড্রাই, অয়েলি ও কম্বিনেশন সব ধরনের ত্বকে উপযোগী।
৫. মুখে হলুদের দাগ পড়ে কি?
উত্তর: কস্তুরি হলুদের দাগ পড়ে না। এটি রঙে হালকা ও ত্বকের সাথে মিশে যায়।
৬. কস্তুরি হলুদ কি মেছতা বা ছোপ ছোপ দাগে কাজ করে?
উত্তর: হ্যাঁ, নিয়মিত ব্যবহারে মেছতা ও দাগ হালকা হয়।
৭. এটি কি গর্ভবতী নারী ব্যবহার করতে পারেন?
উত্তর: বাহ্যিকভাবে ব্যবহারে কোনো সমস্যা নেই, তবে চিকিৎসকের পরামর্শ নেয়া উত্তম।
৮. এটি কি শরীরের অন্য অংশেও ব্যবহার করা যায়?
উত্তর: হ্যাঁ, গলা, ঘাড়, হাত ও পায়ের ত্বকে ব্যবহার করা যায়।
৯. পুরুষরা কি এটি ব্যবহার করতে পারেন?
উত্তর: অবশ্যই। নারী-পুরুষ নির্বিশেষে সবার জন্য উপযোগী।
১০. এটি ব্যবহারের পর কি ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করতে হবে?
উত্তর: হ্যাঁ, যাদের ড্রাই স্কিন আছে, তারা ফেস প্যাকের পর হালকা ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করতে পারেন।
⚠️ সতর্কতা:
-
এটি সাধারণ হলুদের মতো ত্বকে দাগ ফেলে না।
-
চোখে লাগলে পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।
-
ব্যবহারের আগে প্যাচ টেস্ট করে নেওয়া উত্তম।
| Weight | 100 g |
|---|---|
| উপকরণ |
কস্তুরি হলুদ |
ন্যান্সি এগ্রো এন্ড ফুড-এর শিপিং এবং ডেলিভারি নীতিমালা
ন্যান্সি এগ্রো এন্ড ফুড সর্বদা তার গ্রাহকদের সেরা মানের পণ্য সরবরাহের জন্য প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। আমাদের শিপিং ও ডেলিভারি প্রক্রিয়া সহজ, নির্ভরযোগ্য এবং দ্রুততর, যাতে আপনি নিশ্চিন্তে আমাদের পণ্য গ্রহণ করতে পারেন।
শিপিং সংক্রান্ত তথ্য
আমরা বাংলাদেশের যেকোনো প্রান্তে পণ্য সরবরাহ করে থাকি।
সমস্ত অর্ডার নিশ্চিত হওয়ার পর ২৪ থেকে ৭২ ঘণ্টার মধ্যে প্রসেস করা হয়।
বিশেষ উৎসব বা ছুটির দিনে ডেলিভারিতে সামান্য বিলম্ব হতে পারে।
প্রোডাক্ট স্টক আউট হলে গ্রাহককে তাৎক্ষণিকভাবে জানিয়ে দেওয়া হবে।
ডেলিভারি সময় ও খরচ
ঢাকার মধ্যে: অর্ডার নিশ্চিত হওয়ার পর ২৪ থেকে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে পণ্য পৌঁছে দেওয়া হয়।
ঢাকার বাইরে: সাধারণত ৩ থেকে ৫ কার্যদিবসের মধ্যে ডেলিভারি সম্পন্ন হয়।
ডেলিভারি চার্জ নির্ভর করে অর্ডারের ওজন এবং অবস্থানের ওপর। অর্ডার প্লেস করার সময় চার্জের বিস্তারিত তথ্য জানিয়ে দেওয়া হবে।
ক্যাশ অন ডেলিভারি ও অনলাইন পেমেন্ট
ঢাকার মধ্যে ক্যাশ অন ডেলিভারি (COD) সুবিধা পাওয়া যায়।
অনলাইন পেমেন্টের জন্য বিকাশ, নগদ এবং ব্যাংক ট্রান্সফারের সুবিধা রয়েছে।
পণ্য গ্রহণ ও ফেরতের নীতি
পণ্য গ্রহণের সময় গ্রাহককে প্যাকেজটি ভালোভাবে পরীক্ষা করার অনুরোধ করা হচ্ছে।
কোনো কারণে পণ্য ত্রুটিপূর্ণ বা ভুল ডেলিভারি হলে, ডেলিভারির ২৪ ঘণ্টার মধ্যে আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন।
ফেরত ও পরিবর্তন নীতির আওতায় শুধুমাত্র নির্দিষ্ট শর্তসাপেক্ষে পণ্য পরিবর্তন বা ফেরত নেওয়া হয়।
যোগাযোগ করুন
যেকোনো প্রশ্ন বা সাহায্যের জন্য আমাদের কাস্টমার সার্ভিস টিমের সাথে যোগাযোগ করুন:
📞 হটলাইন: +8801822597907
📧 ইমেইল: support@nancyshopbd.com
🌐 ওয়েবসাইট: nancyshopbd.com
ন্যান্সি এগ্রো এন্ড ফুড-এর সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ। আপনার আস্থা আমাদের অনুপ্রেরণা!

Reviews
There are no reviews yet.